ঢাকা, শনিবার ২১ অক্টোবর ২০১৭  ,
১১:০৫:১৩ ফেব্রুয়ারি  ১৭, ২০১৭ - বিভাগ: জাতীয়


ছাত্রলীগ কর্মীকে গুলি: কারণ এলাকায় আধিপত্য

Image

এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে পল্টনে সংসদ সদস্য গোলাম দস্তগীরের অফিসে রূপগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগের কর্মী মোশাররফ হোসেনের ওপর গুলির ঘটনা ঘটে জানিয়েছে র‌্যাব।


ওই ঘটনায় আটক ‘শীর্ষ সন্ত্রাসী’ মো. মাসুদ রানা ওরফে আশিকের (২৪) জিজ্ঞাসাবাদের বরাত দিয়ে এ কথা জানায় র‌্যাব।বৃহস্পতিবার ভোরে কুমিল্লা সীমান্ত এলাকায় গ্রেপ্তার হয় আশিক।

১২ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় সাংসদ গোলাম দস্তগীরের পল্টনের  ৩৭/২ ভবন অফিস বিল্ডিংয়ের দ্বিতীয় তলায় তার ব্যক্তিগত সহকারী এপিএস কামরুজ্জামান হিরার অফিস কক্ষে উপজেলা ছাত্রলীগ কর্মী মোশাররফ হোসেন গুলিবিদ্ধ হন। এ ঘটনায় তার বাবা মোজাম্মেল হক রাজধানীর পল্টন থানায় একটি মামলা করেন।

এ ঘটনার পর র‌্যাবও  ছায়া তদন্ত শুরু করে। এরই ধারাবাহিকতায় র‌্যাব-৩ এর একটি দল বৃহস্পতিবার ভোর চারটার দিকে কুমিল্লার সদর দক্ষিণ থানার গোলিয়ার ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে মো. মাসুদ রানা আশিককে গ্রেপ্তার করে।

জিজ্ঞাসাবাদে আশিক ওই ঘটনার সঙ্গে তার সংশ্লিষ্টতার কথা স্বীকার করে বলে জানায় র‌্যাব। আশিক র‌্যাবকে জানায়, সে ও তার দুই সহযোগী গোলাম দস্তগীরের অফিসে প্রবেশ করে মোশারফ হোসেনকে তলপেটে গুলি করে পালিয়ে যায়। নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ এলাকার আধিপত্য বিস্তার, ক্ষমতার দ্বন্দ্ব ও পূর্বশত্রুতার জের ধরে এই ঘটনা ঘটায় সে।

র‌্যাব জানায়, এর আগে ২০১৫ সালের ৩১ জানুয়ারি একটি পিস্তল, আটটি রামদাসহ গ্রেপ্তার হয় আশিক। তখন তার দুই সহযোগী আশরাফুল, মোহাম্মদ আলী ওরফে মাহাকেও গ্রেপ্তার করে র‌্যাব-১১।

পল্টনে মোশাররফের ওপর গুলি করার তিন-চার দিন আগে নারায়ণগঞ্জের ভুলতার কায়েতপাড়া এলাকায় ভূমিদস্যুবিরোধী একটি সভায় মাসুদ রানা আশিকের ঘনিষ্ঠ মাদক ব্যবসায়ী ও অস্ত্র ব্যবসায়ী আলমগীর, আল আমিনসহ তার গ্রুপের লোকজন উপস্থিত ছিল। ওই সভার সময় রাস্তায় মোশাররফ হোসেনের সঙ্গে আশিকের তর্ক-বিতর্ক ও হাতাহাতি হয়।

জিজ্ঞাসাবাদের সূত্রে র‌্যাব জানায়, ৩০০ ফুট সড়ক এলাকায় মোশাররফ ও আশিকের মধ্যে আধিপত্য বিস্তারে মতবিরোধ চলছিল। আশিক নিজের আধিপত্য বজায় রাখার জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে এবং তার পূর্বপরিচিত অস্ত্র ব্যবসায়ী রাইফেল আলমগীরের সঙ্গে যোগাযোগ করে তার কাছ থেকে ৭.৬৫ মি.মি. দুটি পিস্তল ও গুলি ভর্তি ম্যাগাজিন আনায়। তারপর দুই সহযোগীসহ আশিক  রাইফেল আলমগীরের গাড়িতে করে পল্টনে যায়। ছাত্রলীগ কর্মী মোশারফকে গুলি করে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে তারা।

র‌্যাবের সহকারী পরিচালক মিজানুর রহমান বলেন, এ ঘটনায় আরো তদন্ত চলছে। আসামির বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

জাতীয় 'র অন্যান্য খবর

©সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি