চাল-তেলের দাম উর্ধ্বমুখী

0
0

নিজস্ব প্রতিবেদক
সবজিতে স্বস্তি এলেও আরও বেড়েছে চালের দাম। একইসঙ্গে বেড়েছে ভোজ্যতেলের দামও। শুক্রবার সকালে রাজধানীর শ্যামবাজার ঘুরে এ তথ্য জানা গেছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, প্রতি লিটার রূপচাঁদা তেল ১৩৫-১৪০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া তীর মার্কা তেল ১৩২ টাকা, বসুন্ধরা ১৩০-১৩৫ টাকা, চাঁন তেল ১৩০ টাকা ও পুষ্টি তেল ১৩৫-১৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
পাকিস্তানি মুরগি প্রতি পিস ১৭০ টাকা ও কেজিপ্রতি ফার্মের মুরগি ১৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া খাসির মাংস প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৮০০ টাকায়।
শ্যামবাজারে বিভিন্ন ধরনের শাক পাইকারি ও খুচরায় বিক্রি হচ্ছে। খুচরায় সরিষা শাক ১০ টাকা, পালংশাক ৮-১০ টাকা, ডাঁটা প্রতি হালি ১৫ টাকা, লালশাক ১০ টাকা, পুঁইশাক ২০ টাকা, কলমি শাক ১০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। প্রতি পিস পাতাকপি ও ফুলকপি ২০ টাকা, আকারভেদে লাউ প্রতি পিস ২০-৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। প্রতি কেজি কাঁচামরিচ ও ধনিয়া ২০-৫০ টাকা, টমেটো ৪০ টাকা, শিম ৩০ টাকা ও বেগুন ৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
কিছুটা কমলে-বাড়লেও ক্রেতাদের নাগালের মধ্যেই আছে মাছের দাম। প্রতি কেজি পোয়া মাছ ৪৫০ টাকা, পুঁটি ৬০০ টাকা, পাবদা মাছ ৩৫০ টাকা, শোল মাছ ২০০-৪০০ টাকা, আকারভেদে ইলিশ বিক্রি হচ্ছে কেজিপ্রতি ৬০০ টাকায়। মৃগেল মাছ ১৭০-১৮০ টাকা, আকারভেদে প্রতি কেজি তেলাপিয়া ১৫০ টাকা, আকারভেদে সিলভার কার্প মাছ প্রতি কেজি ১৫০ টাকা, সরপুঁটি মাছ ১৫০-১৭০ টাকা, বোয়াল মাছ ৪০০-৫০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
মাছ ব্যবসায়ী মো. ইদ্রিস বলেন, মাছের দাম আগের মতোই আছে। একটু বাড়ছে-কমছে। ক্রেতা মোটামুটি ভালোই আছে।
সব ধরনের চালের দাম কেজিতে ২-৩ টাকা বেড়েছে। প্রতি কেজি নাজিরশাইল চাল ৬৮ টাকা, কাটারীভোগ ৯০ টাকা, চিনিগুঁড়া পোলাও চাল ৯৫ টাকা, পাইজাম ৫৫ টাকা, মিনিকেট ৬৮ টাকা ও জিরা নাজির ৭৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
বাজারে দেশি মসুর ডাল ১০০ টাকা ও ক্যাঙ্গারু মসুর ডাল ১৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। প্রতি কেজি আলু ২০ টাকা, পেঁয়াজ ৩০-৫০ টাকা, রসুন ১১০ টাকা ও আদা ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
সাদেক স্টোরের ম্যানেজার মো. আরাফাত বলেন, আমরা তেলের দাম নিয়ে শঙ্কিত। কয়েক সপ্তাহ ধরে তেলের দাম বাড়ছে। ক্রেতা ভালোই আছে। কিন্তু নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস না কিনলে খাবে কী?