ট্রাম্প ক্যাপিটলে সবাইকে ‘মৃত্যুর মুখে’ ঠেলেছিলো

0
1

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় অভিশংসনের বিচারে তার সমর্থকদের ক্যাপিটল ভবনে হামলার নতুন কিছু নাটকীয় ভিডিও সেনেটরদের দেখানো হয়েছে।
ট্রাম্পের নিজের বক্তব্য এবং টুইটকে তার বিরুদ্ধেই ব্যবহার করে ডেমোক্র্যাটরা বিচার প্রক্রিয়া চালাচ্ছে যাতে তারা অভিযোগ তুলেছে যে, হামলার দিন এবং এর আগে তিনি নিজেই ‘প্রধান উস্কানিদাতা’ হিসেবে কাজ করেছেন।
বিচারের সময় আবেগঘন বিবৃতিতে অভিশংসনের দায়িত্বে থাকা কর্মীরা সহিংস ঘটনার খুঁটিনাটি তুলে ধরেন।
অপ্রকাশিত নিরাপত্তা ফুটেজে দেখা যায় যে, দাঙ্গাকারীরা যুক্তরাষ্ট্রের আইনপ্রণেতাদের কতটা কাছাকাছি চলে এসেছিল।
ভেতরে থাকা পুলিশ কর্মকর্তারা মরিয়া হয়ে রাজনীতিবিদদের নিরাপদে সরিয়ে নিচ্ছিলেন। অনেক সময় মাত্র কয়েক গজের ব্যবধানে দাঙ্গাকারীরা ভবনের চেম্বারে প্রবেশ করছিল।
উত্তেজিত কিছু অডিওতে শোনা যায় যে, নিরাপত্তা রক্ষীরা সহায়তা চাইছিলো, তারা বলছিলো, কিভাবে জনতা তাদের বিরুদ্ধে ব্যাট এবং টিয়ার গ্যাসকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছে।
প্রতিনিধি স্টেইসি প্ল্যাসকেট সাক্ষ্য-প্রমাণ উপস্থাপনের সময় অভিযোগ তোলেন যে, সাবেক প্রেসিডেন্ট সহিংসতায় ‘ইচ্ছাকৃতভাবে উস্কানি’ দিয়েছিলো এবং জ্যেষ্ঠ সদস্যদের ‘লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করেছিলো’ যাদের মধ্যে তার নিজের ভাইস প্রেসিডেন্ট মাইক পেন্সও রয়েছেন।
চলতি সপ্তাহের শেষে মি ট্রাম্পের আইনজীবী তার পক্ষে বিচারে যুক্তি তুলে ধরবেন। তবে এরইমধ্যে তিনি দাবি করেছেন যে, তার বিরুদ্ধে বিচার রাজনৈতিকভাবে প্রভাবিত এবং অসাংবিধানিক।
১০০ আসনের সেনেটে ট্রাম্পকে অভিযুক্ত করতে হলে দুই-তৃতীয়াংশ ভোট দরকার। তবে এখনো পর্যন্ত রিপাবলিকান অধ্যুষিত সেনেটের বেশিরভাগ সদস্য ট্রাম্পের প্রতি অনুগত থাকার কারণে তিনি রেহাই পেয়ে যাবেন।
অভিযোগ প্রমাণিত হলে, তিনি পরবর্তীতে আর নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না।