সুষ্ঠু নির্বাচনের সুনাম ক্ষুণ্ন করতেই কাউন্সিলর হত্যা: ইসি সচিব

0
0

নিজস্ব প্রতিবেদক:

‘সুষ্ঠু নির্বাচনের সুনাম ক্ষুণ্ন করতে একটি অপশক্তি বিজয়ী কাউন্সিলর প্রার্থীকে হত্যা করেছে’ বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনের (ইসি) জ্যেষ্ঠ সচিব মো. আলমগীর।

তিনি বলেন, ‘নির্বাচনের পরে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে বিজয় মিছিল বের করা নিষেধ ছিল। তারপরও প্রার্থী বিজয় মিছিল বের করেন। ফলে এ অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেছে। তবে এটা কারো কাম্য নয়।’

রবিবার রাজধানীর নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব বলেন তিনি।

শনিবার সিরাজগঞ্জ পৌরসভায় নির্বাচনী পরবর্তী সহিংসতায় নিহত হয়েছেন বিএনপি সমর্থিত বিজয়ী কাউন্সিলর তারিকুল ইসলাম (৪৫)।

এ বিষয়ে মো. আলমগীর বলেন, ‘সারাদেশে অবাধ ও সুষ্ঠু ভোট হয়েছে এ খবর আপনারা (সংবাদকর্মী) লিখেছেন। তবে, দুঃখজনক হলেও সত্য ওই প্রার্থী বিজয় মিছিল বের করার পরেই একজন দুষ্কৃতিকারী তাকে হত্যা করেছে, এটা নিন্দনীয়। সুষ্ঠু নির্বাচনের সুনাম ক্ষুণ্ন করতে একটি অপশক্তি এ কর্মকাণ্ড করেছে। ’

দ্বিতীয় ধাপে অর্ধেক এলাকায় ভোটে ‘জোর-জবরদস্তিসহ’বেশ কিছু অভিযোগে উঠে। গাইবান্ধায় ভোট শেষে ব্যালট পেপার ও সরঞ্জাম নিয়ে ফেরত আসার সময় পুলিশের ওপর হামলা ও গাড়িতে আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটে। সহিংসতা বাড়ায় নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদারও উদ্বেগ প্রকাশ করেন।

ইসি সচিব বলেন, ‘ঘটনার তদন্ত হচ্ছে। রিপোর্ট আসার পর বলা যাবে কী কারণে এ ঘটনা ঘটল। কারও কোনো অবহেলা আছে কি না’।

এক প্রশ্নের জবাবে মো. আলমগীর বলেন, ‘মিছিল যারা বের করেছেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সামনে করেননি। অন্য জায়গায় করেছেন। সেখানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কেউ ছিলেন না। আমার নিরাপত্তা আগে আমাকে নিশ্চিত করতে হবে। তারপর না আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সহায়তা করবে। আমি যদি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে না জানিয়ে রাত ১টার সময় যেখানে ছিনতাই হয় সেখানে ঘুরাফেরা করি টাকাপয়সা নিয়ে, তাহলে তো ছিনতাই করবেই। এখানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কীভাবে কী করবে?’

আরেক প্রশ্নের জবাবে ইসি সচিব বলেন, ‘নিরাপত্তার দায়িত্ব নাগরিকের নিজেরও। প্রথম দায়িত্ব নিজের, শঙ্কা বোধ করলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জানাতে হবে। এরপর তারা কিছু না করলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে দোষ দেওয়া যায়’।